জন্ম নিবন্ধন সনদে ছোটখাটো ভুলের কারণে আমাদের অনেক সময় বড় ধরণের সমস্যায় পড়তে হয়। বিশেষ করে পাসপোর্ট করা, স্কুলে ভর্তি বা এনআইডি কার্ড তৈরির সময় এই ভুলগুলো বাধা হয়ে দাঁড়ায়। আগে ইউনিয়ন পরিষদে বারবার দৌড়াতে হলেও, ২০২৬ সালে এখন পুরো প্রক্রিয়াটি আপনি নিজের মোবাইল বা কম্পিউটার দিয়ে করতে পারবেন।
জন্ম নিবন্ধন সংশোধনে কী কী কাগজপত্র লাগে? (বিস্তারিত তালিকা) আপনার ভুলের ধরণ অনুযায়ী কাগজপত্র আপলোড করতে হবে। নিচে একটি তালিকা দেওয়া হলো:
নিজের নাম সংশোধন: আবেদনকারীর জেএসসি/এসএসসি পরীক্ষার সার্টিফিকেট বা পাসপোর্টের কপি।
জন্ম তারিখ সংশোধন: যদি বয়স ৫ বছরের বেশি হয়, তবে মেডিকেল রিপোর্ট অথবা শিক্ষা বোর্ডের সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক।
পিতা-মাতার নাম সংশোধন: পিতা ও মাতার অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ এবং তাদের এনআইডি (NID) কার্ডের কপি।
ঠিকানা পরিবর্তন: বর্তমান ঠিকানার বিদ্যুৎ বিলের কপি অথবা বাড়ির ট্যাক্স রশিদ। অনলাইনে আবেদন করার সম্পূর্ণ পদ্ধতি: ১. ওয়েবসাইটে প্রবেশ: প্রথমে
পোর্টালে গিয়ে 'জন্ম নিবন্ধন সংশোধন' মেন্যুতে ক্লিক করুন। ২. তথ্য যাচাই: আপনার ১৭ ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন নম্বর এবং জন্ম তারিখ দিয়ে 'অনুসন্ধান' বাটনে ক্লিক করুন। ৩. ভুল নির্বাচন: আপনি আপনার কার্ডের যে তথ্যটি পরিবর্তন করতে চান, সেটি ড্রপডাউন মেন্যু থেকে সিলেক্ট করুন (যেমন: নাম বাংলা/ইংরেজি বা জন্ম তারিখ)। ৪. সঠিক তথ্য প্রদান: 'সংশোধিত তথ্য' ঘরে আপনি যে নাম বা তারিখটি চাচ্ছেন তা নির্ভুলভাবে টাইপ করুন। ৫. ডকুমেন্ট আপলোড: আপনার কাছে থাকা প্রমাণপত্র (যেমন সার্টিফিকেট বা এনআইডি) স্ক্যান করে PDF বা Image আকারে আপলোড করুন। ফাইলের সাইজ ১০০ কেবি (100KB) এর মধ্যে হতে হবে। ৬. আবেদন জমা: সব তথ্য চেক করে সাবমিট করুন। এরপর একটি 'আবেদন পত্র' ডাউনলোড করার অপশন পাবেন। সেটি প্রিন্ট করে নিন।bdris.gov.bd সংশোধন ফি এবং সময়: জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের জন্য সাধারণত ৫০ থেকে ১০০ টাকা সরকারি ফি দিতে হয়। আবেদন জমা দেওয়ার পর সাধারণত ৭ থেকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে আপনার আবেদনটি অনুমোদিত হয়। অনুমোদনের পর আপনি অনলাইন থেকে নতুন কপিটি সংগ্রহ করতে পারবেন। আরও পড়ুন আপনার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য:

কোন মন্তব্য নেই: